Header Ads

নারী পুরুষ উভয়ের পর্দার বিধান। পর্দা না করার ক্ষতি। মাওঃ আব্দুল আহাদ জিহাদী

নারী পুরুষ উভয়ের পর্দার বিধান। পর্দা না করার ক্ষতি। মাওঃ আব্দুল আহাদ জিহাদী 






🟢In the view of Islam, the provision of the veil for men and women. 🟢নারী-পুরুষ উভয়ই পর্দা মেনে চলা ফরজ। 🟢ইসলামে ফরজ বা অবশ্যকরণীয় বিধান পর্দা। 🟢পর্দার বিধান নারীদের জন্য যেমন ফরজ, তেমনি পুরুষদের জন্যও। 🟢পর্দা না করার ক্ষতি। 🟢ইসলামে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই পর্দা ফরজ। 🟢ইসলামে_নারী_পুরুষ_উভয়ের_জন্যই_পর্দা_ফরজ ইসলামে পর্দা যে শুধু নারীদের জন্য রয়েছে তা কিন্তু নয়। পুরুষদের পর্দা রয়েছে। নারী-পুরুষ উভয়ই পর্দা মেনে চলা ফরজ। সত্যি কথা বলতে 🟢সুরা নূরের ৩০ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ্ বলেছেন, ‘মুমিন পুরুষদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে।’

🟢এর পরের আয়াত অর্থাৎ সুরা_নূরের_৩১_নম্বর_আয়াত_মহান_আল্লাহ্‌_নাযিল_করেছেন_নারীদের_পর্দার_জন্য। 🟢এখন কোনো পুরুষের চোখে যদি কোনো নারীর সৌন্দর্য দর্শন করার অনুমতি পায়, তাহলে তাহলে একমাত্র নিজের স্ত্রীর। একজন পুরুষের জন্য নিজ স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন নারীর চেহারার সৌন্দর্য দেখা বা অন্য কোনো নারীর দেহ আকৃতি অন্তরে অনুভব করা ‘হারাম’। 🟢এ সম্পর্কে মহানবী (স.) বলেছেন, যদি কোন মহিলার দিকে হঠাৎ নজর পড়ে যায়, তাৎক্ষণিক দৃষ্টি সরিয়ে নেবে এবং তার দিকে আর দ্বিতীয়বার তাকাবে না। 🟢আল্লাহ পবিত্র কুরানের সূরা আন-নুরের ৩০নং আয়াতে নারীদের পর্দার ব্যাপারে নিষেধ করার আগে পুরুষের চোখের পর্দা হেফাজত করার নির্দেশ দিয়েছেন। কেউ যখন তা জেনেও এই নিষেধ মান্য করা থেকে নিজেকে দূরে রাখলো না তখন সে যেন কুরআনে আল্লাহ প্রদত্ত নির্দেশ কে অবজ্ঞা করল। 🟢সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ বলেছেন, ‘এতে কোন সন্দেহ নেই যে, যারাই আমার আয়াত সমূহকে অবজ্ঞা করবে, আমি তাদেরকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করব। তাদের চামড়াগুলো যখন জ্বলে-পুড়ে যাবে, তখন আমি সেখানে নতুন চামড়া দিব, যাতে তারা আজাব পূর্ণভাবে আস্বাদন করতে থাকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, মহাজ্ঞানী।’ (সূরা আন নিসাঃ ৫৬) 🟢ঠিক একইভাবে, হিজাব পরা মানে মানুষকে দেখানো নয় যে আমি হিজাব পরছি। হিজাব পরা মানে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন আমার শরীরের সৌন্দর্য পর-পুরুষ থেকে ঢেকে রাখতে। যা দেখার অনুমতি বা প্রদর্শন করার অনুমতি দিয়েছে একমাত্র আমার স্বামীর সামনে। 🟢সুরা নূরের ৩১ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ্ বলেছেন, ‘ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে ও নিজেদের দেহ-সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, কেবল সেসব অংশ ছাড়া যা আপনা আপনি প্রকাশিত হয়ে পড়ে। 🟢আর যেন তারা তাদের মাথার কাপড় দিয়ে বুকের ওপরটা ঢেকে রাখে এবং তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে শুধুমাত্র তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র,নিজ অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ ও বালক যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ তারা ব্যতীত। 🟢আর তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণ না করে। হে মুমিন লোকেরা ! তোমরা সকলে মিলে আল্লাহর নিকট তওবা কর, আশা করা যায় তোমরা কল্যাণ লাভ করবে।’ (সূরা আন-নূরঃ ৩১) 🟢আল্লাহ্ তায়ালা আরও বলেছেন, ‘হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগণ ও কন্যাদেরকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের ওপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না।’ (সূরা আহযাবঃ ৫৯) Latest world AH

1 টি মন্তব্য:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.